দীর্ঘ ১৭ বছরের প্রবাসজীবনের পর বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) দেশে ফেরেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সকাল ৯টা ৫৬ মিনিটে লন্ডন থেকে সিলেট হয়ে দুপুর ১১টা ৩৯ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছান তিনি। বিমানবন্দর আনুষ্ঠানিকতা শেষে রাজধানীর পূর্বাচল ৩০০ ফিট এলাকায় আয়োজিত গণসংবর্ধনায় অংশ নেন তিনি।
বিকেল ৩টা ৫৭ মিনিটে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের স্বাগত বক্তব্যের পর ‘প্রিয় বাংলাদেশ’ সম্বোধনে বক্তব্য শুরু করেন তারেক রহমান। তার বক্তব্যে মূলত গণতন্ত্র, স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং জাতীয় ঐক্যের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। তিনি দেশকে সব ধর্ম-বর্ণের মানুষের জন্য নিরাপদ ও সুরক্ষিত করার লক্ষ্যের কথাও বলেন।
তারেক রহমানের বক্তব্যের সুর এবং ভাবমূর্তিতে দেশপ্রেম ও ঐক্যের বার্তা স্পষ্ট। তিনি জনগণকে একত্রিত হয়ে দেশের জন্য কাজ করার আহ্বান জানান এবং ভবিষ্যতের বাংলাদেশের জন্য শান্তি ও স্থিতিশীলতার প্রতি গুরুত্বারোপ করেন।
বক্তব্যের পর সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। ফেসবুক, টুইটার ও অন্যান্য অনলাইন প্ল্যাটফর্মে দেশপ্রেমিকদের মন্তব্যের ঝড় বইতে শুরু করে। বিশেষ করে শোবিজ অঙ্গনের নামী তারকারাও তার বক্তব্যের প্রশংসা করেন। এর মধ্যে চিত্রনায়িকা পরীমণি ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে তার বক্তব্যে মুগ্ধতার কথা জানান এবং দেশের শান্তি কামনা করেন।
সোশ্যাল মিডিয়ায় মানুষ তার বক্তব্যের মূল বার্তা নিয়ে আলোচনা করছেন, বিশেষ করে দেশের গণতন্ত্র ও জাতীয় ঐক্যের গুরুত্ব নিয়ে। অনেকেই তারেক রহমানের দেশে ফেরাকে নতুন রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে দেখছেন। রাজনীতিকদের মতে, তারেক রহমানের এই ফেরার ঘটনা শুধু বিএনপির জন্য নয়, বরং দেশের রাজনৈতিক ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সাধারণ মানুষও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার বক্তব্যের প্রশংসা করেছেন এবং দেশের জন্য তার একত্রিত হওয়ার আহ্বানকে সমর্থন জানিয়েছে।

